Two defendants submit report to court as per High Court's directions in recovery of white stone from Bholaganj, Sylhet
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সিলেটের ভোলাগঞ্জ থেকে উত্তোলিত সাদা পাথর উদ্ধারে
হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসারে ২ বিবাদীর আদালতে প্রতিবেদন দাখিল
বিভিন্ন মিডিয়ায় সাদা পাথর
লুটপাটের সংবাদ প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস
ফর বাংলাদেশ (HRPB) আজ একটি রীট পিটিশন দায়ে করলে মাননীয় বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও
মাননীয় বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকা এর আদালত এক আদেশে রুল জারি করে নিমোক্ত নিদের্শনা
দেন:
১। ০৭ (সাত) দিনের মধ্যে
বিবাদীরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লুট হওয়া উক্ত সাদা পাথর স্থানীয় সিভিল প্রশাসন
ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগীতায় সংগ্রহ করে ভোলাগঞ্জের উক্ত নির্দিষ্ট স্থানে
উক্ত সাদা পাথরগুলোকে প্রতিস্থাপনের নির্দেশ দিয়ে আদালতে compliance report দাখিলের
নির্দেশ দেন।
২। জেলা প্রশাসন, বিজিবি,
RAB সহ মোট ০৫ (পাঁচ) জনকে সাদা পাথর লুটপাঠের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের তালিকা তৈরী করে
এফিডেভিট আকারে ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে আদালতে দাখিল করার নির্দেশ দেন।
৩। পরিবেশ সচিব ও খনিজ
সম্পদ সচিবকে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে যেখানে বুয়েটের একজন প্রফেসর থাকবেন তাদের
মাধ্যমে পাথর সরানো কারণে পরিবেশের কি পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তা নিরুপন করে ০২
(দুই) মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
৪। স্থানীয় প্রশাসন ও বিবাদীদেরকে
উক্ত এলাকায় ৪৮ (আটচল্লিশ) ঘন্টার মধ্যে দিন ও রাত্রে তদারকির জন্য মনিটরিং টিম গঠন
করে ০২ (দুই) সপ্তাহের মধ্যে আদালতে compliance report দাখিল করতে নির্দেশ দেন।
আদালতের উক্ত নির্দেশনার
প্রেক্ষিতে খনিজ সম্পদ ও পরিবেশ সচিবের পক্ষে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে অবগত করা
হয় যে খনিজ সম্পদ (নিয়ন্ত্রন ও উন্নয়ন) আইন, ১৯৯২ এবং বিধিমালা ২০১২ এর ৯৩(১) ধারা
লঙ্ঘনের দায়ে ২০০০ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়। যে প্রেক্ষিতে
১৫.০৮.২০২৫ইং তারিখে কোম্পানিগঞ্জ থানায় মামলা নং ০৯ তারিখ ১৫.০৮.২০২৫ইং ধারা খনিজ
সম্পদ (নিয়ন্ত্রন ও উন্নয়ন) আইন, ১৯৯২ তৎসহ ৩৭৯/৪৩১ পেনাল কোড ধারায় দায়ের করা হয়।
মামলায় অভিযোগ করা হয় যে ০৫.০৮.২০২৪ইং হতে সিলেট জেলার কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার গেজেটভূক্ত
ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারি হতে অজ্ঞাতনামা ১৫০০ হতে ২০০০ ব্যক্তি পাথর চুরি করে নিয়ে যায়।
আদালতের নির্দেশনা অনুসারে পরিবেশগত আর্থিক ক্ষতি নিরসনের জন্য ২১.০৮.২০২৫ইং তারিখে
অতিরিক্ত সচিব (অপারেশ), জালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ-কে আহবায়ক করে, বুয়েটের একজন অধ্যাপক
সহ মোট ০৬ (ছয়) সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
জেলা প্রশাসক এভিডেভিট
দাখিল করে আদালতকে অবগত করেন যে পাথর প্রতিস্থাপনের কাজ চলমান আছে, দায়ী ব্যক্তিদের
তালিকা তৈরির কাজ অব্যাহত আছে এবং ভোলাগঞ্জের পাথর কোয়ারি এরিয়া নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
শুনানীতে HRPB এর কৌশলী
সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুসারে দায়ী ব্যক্তিদের তালিকা
ও ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ এর প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা
সম্ভব হবে।
বাদী হলেন HRPB পক্ষে অ্যাডভোকেট
মোঃ ছারওয়ার আহাদ চৌধুরী, এখলাছ উদ্দীন ভূইয়া, রিপন বাড়ৈ এবং নাছরিন সুলতানা, বিবাদীরা
হলেন খনিজ ও পরিবেশ সচিব, ডিজি পরিবেশ, ডিসি, এসপি সিলেট, স্থানীয় র্যাব ৯ এর অধিনায়ক,
স্থানীয় বর্ডার গার্ড এর ক্যাম্পিং চার্জ এবং এসি ল্যান্ড।
রীট মামলাটি শুনানী করেন
সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ, তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট সঞ্জয় মন্ডল। সরকার
পক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট নূর মুহাম্মদ আজমী এবং অ্যাডভোকেট মুহা.
এরশাদুল বারী খন্দকার।
বার্তা প্রেরক-
মনজিল মোরসেদ
সিনিয়র অ্যাডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট